,
সংবাদ শিরোনাম :

পোলিওর ডোজ বাড়িয়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হবে টিকা…বিস্তারিত

সময় সংলাপ ডেস্ক

বাংলাদেশকে তিন বছর আগেই পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা হলেও সরকারিভাবে এর কার্যক্রমের ব্যাপকতা দিন দিন আরো বাড়ানো হচ্ছে। আগামী মাস থেকে পোলিওর ডোজ বাড়িয়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে এ টিকা দেয়া হবে। এতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরো বাড়বে।

তবে স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, পোলিওমুক্ত বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে দেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গারা। সরকার বলছে, এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে তারা।

জন্মের ১৪ দিনের মধ্যে প্রথমবারের মত পলিও ডোজ খাওয়ানো হয়, যাতে শিশুদের বিকলাঙ্গতার ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ইউনিসেফ ও রোটারের সহায়তায় সরকারিভাবে প্রায় এক লক্ষ বিশ হাজার টিকা দান কেন্দ্রে পলিও টিকা দেওয়া হচ্ছে সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিনই।

সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে এ অঞ্চলে বাংলাদেশসহ প্রায় ১১টি দেশকে পলিও মুক্ত ঘোষণা করে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার কারণে আরও বেশি সচেতন হচ্ছেন অভিভাবকেরা।

অভিভাবকরা বলছেন, ‘প্রতি চার সপ্তাহ পর পর কিছু টিকা দেওয়া হয় যেগুলো দিলে বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই আমরা নিয়মিত বাচ্চাদের টিকা দিয়ে অনেকটা চিন্তা মুক্ত থাকি।’

তবে টিকাদান কর্মসূচিতে সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা গুলোর পরামর্শ যেকোনো রোগ মোকাবেলায় আরও বেশি সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে, সম্প্রতি পাশের দেশ মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে যাতে পলিও রোগ এদেশে ঢুকে না পড়ে সে দিকে লক্ষ্য রাখার তাগিদ দিয়েছ তারা।

ইউনিসেফ-এর টিকা বিশেষজ্ঞ ডা. জুসি মেরিনা অধিকারী বলেন, ‘পলিও কর্মসূচিতে আমরা ৯৫ ভাগ সফলতা অর্জন করেছি। এখন যেহুত মিয়ানমার থেকে অসংখ্য রোহিঙ্গা এখানে এসেছে, যাদের ইপিআই কাভারেজ খুবই কম। যা আমাদের জন্য একটা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ যে, পলিও আবার আমাদের মধ্যে আসে কিনা।’

এছাড়া বাংলাদের রোটারি গভর্নর এফ এইচ আরিফ বলেন, ‘পলিও একটা বিধ্বংসী যা একটা পরিবারকে অন্ধকারের মধ্যে নিয়ে যেতে পারে, এটা মাথায় রাখতে হবে। সচেতন করার জন্য সরকার ও সকল সংস্থার নিয়মিত কর্মসূচি থাকতে হবে।’

এদিকে স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, রোহিঙ্গাদের মধ্যমে পলিও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পলিও ডোজ বাড়িয়ে, আগামী মাস থেকে খাওয়ানোর পরিবর্তে ইন্জেকশন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর (ইপিআই) ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, ‘ভ্যাকসিনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিশুদের পলিও টিকা প্রদান করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যমে দেশে যেন পলিও ছড়াতে না পারে, তার সমস্ত পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।

এই শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাই সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত দিনে সরকার যে সফলতা অর্জন করেছে তা এখন ধরে রাখতে হবে এবং টিকার মানোন্নয়নে উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে তা যুগোপযোগী করে তোলতে হবে।


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser