,
সংবাদ শিরোনাম :

কোন এক নিরুনার গল্প, ..৩য় অংশ.

সময় সংলাপ ডেস্ক

কোন এক নিরুনার গল্প,
.
……..৩য় অংশ……..

আপনারা তো জানেন নিরুনার বিয়ে হয়ে গেছে,
নিরুনা কি সুখে আছে,
শুনেন নিরুনার বিয়ের পরে কাহিনি,
ঘুম থেকে জেগে দেখলাম বউ পাশে নাই।
ব্যাপার কি? একটু পরে রান্না ঘরে গিয়ে বউ কে
পেলাম।
গিয়ে পিছন থেকে বউ কে জড়িয়ে ধরলাম। বউ
বলল
-সকাল সকাল শুরু করলে।
-কি শুরু করলাম।
-যাও পাগলামি করো না।
হাতমুখ ধুয়ে আসো। আমি নাস্তা রেডি করছি।
-একটু পরে যাই।তোমার কাছে একটু থাকি।
-আমার পাশে বেশি থাকলে মানুষ বউ পাগল বলবে।
-বউ পাগল বলবে কেন? আমি তোমাকে অনেক
ভালবাসি। সবসময় তোমার পাশে থাকতে আমার ভাল
লাগে।
-আচ্ছা থেকো নিষেধ করছি না।
এখন হাতমুখ ধুয়ে নাস্তা করতে এস।
-আচ্ছা যাচ্ছি।
-যাও।
-একটা কথা।
-কি?
-আই লাভ ইউ।
-আই লাভ ইউ টু।
হাতমুখ ধুয়ে নাস্তা করে অফিসে যাচ্ছিলাম।
একটু পরে বউ আসলো আজকে অনেক সুন্দর
ভাবে সেজেছে।
আমি বললাম
-আজকে একটা জিনিস খেতে ভুলে গেছি
-কি জিনিস?
-লিপস্টিক খাবো।
-অফিসে যাও। দুষ্টামি করো না।
-না। খাবই।না হলে অফিসে যাবো না।
-আচ্ছা। একবার কিন্তু।
-আচ্ছা।
-এখন যাও।
-বায়।
-এই দাঁড়াও।
-কি
-তোমার ঠোটে তো লিপস্টিক লেগে আছে।
আসো মুছে দেই।
-না। থাক। ভালই লাগছে
-মানুষ দেখলে কি বলবে?
-কি আর বলবে?
-মানুষ অনেক কিছু বলবে।
-আচ্ছা মুছে দাও।
-আসি।
-আজ তাড়াতাড়ি ফিরবে তোমার জন্য সারপ্রাইজ
আছে।
-কি সারপ্রাইজ?
-আসলেই দেখতে পারবে।
-যেতে ইচ্ছে করছে না। সারপ্রাইজ টা কি বলো।
-যাও। নাহলে সারপ্রাইজ টা জানবে না।
-সাবধানে যেও।
অফিসে চলে গেলাম অফিসে গিয়ে একটু পরেই
আমার কলেজ লাইফের বান্ধবি ফোন করলো।
ফোন করে বলল
-কি রে কেমন আছিস?
-ভালই আছি। তুই?
-আমিও ভাল আছি। তোর তো ভাল থাকার কথা।
কারন যে বউ পাইছিস?
-হ্যা। দেখতে হবে বউ টা কার?
-অত ভাব মাইরো না।
-বউ পেয়ে কি আমার কথা তো ভুলেই গেছিস।
-কি বলিস? তোকে ভুলবো কেন?তুই আমার
আপন বান্ধবি।
-তাতো জানি ই।
– তোর কি খবর? এখন ও সিংগেল আছিস?
-নাহ। কয়দিন পরে ডাবল হবো।
-তাই নাকি? তুই তাহলে শেষে প্রেম করছিস?
-তুই প্রেম করতে পারলে আমি পারবো না কেন?
-আমি তো কয়েকদিন পরেই বিয়ে করলাম। তুই কি
করবি?
-আমিও বিয়ে করবো।
-কতদুর এগিয়েছিস? আমাকে জানাস।
-তোকে তো অবশ্যই জানাবো।তুই আমার সেরা
বন্ধু।
-হ্যা। জানাস।
-এখন তোর বউ এর কেয়ার করিস।
-আমি তো সবসময় ই বউ এর কেয়ার করি।
-এই সময় বেশি কেয়ার করবি।ভারি কাজ করতে দিবি না।
-কেন কি হয়েছে নিরুনার?
-আরে গাধা তুই বাবা হতে চলেছিস।
-বলিস কি!!আমি তো জানি না।
-কালকে তোর বউ আমার এখানে এসেছিল।
-তো আগে বলিস নি কেন?
-বলতে নিষেধ করেছিল তোর বউ। তবুও বলে
দিলাম।
তুই তো জানিস আমার পেটে কথা জমা থাকে না।
-তাহলে কি এটাই আমার সারপ্রাইজ?
-হতে পারে।
-আমি আমার বউ কে সারপ্রাইজ দিবো।
-আচ্ছা। আর আমার মিষ্টি কই?
-আরে মিষ্টির দোকান ধরেই তোকে
খাওয়াবো।উ
আমার অনেক আনন্দ লাগছে।
-আচ্ছা। মিষ্টি পরে খাবো। তোর বউ এর খেয়াল
করিস।
-আচ্ছা বায় দোস্ত।
-বায়।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম ২ টা বাজে। তাড়াতাড়ি
অফিস থেকে বের হলাম। অফিস থেকে বের
হয়ে অনেকগুলো ফুল কিনলাম। তারপরে গাড়ি
নিয়ে বাসায় গেলাম। বাসায় গিয়ে কলিং বেল চেপে
আড়ালে লুকিয়ে গেলাম। বউ দরজা ঘুলে
দেখলো কেউ নাই। বাইরে এসেও দেখলো
কেউ নাই।আমি এই সুযোগে ঘরে ঢুকে
গেলাম। বউ দরজা বন্ধ করে ঘরে ঢুকতেই পিছন
থেকে বউকে
জড়িয়ে ধরলাম। বউ চমকে উঠলো। বলল
-তুমি!!! এই সময়ে বাসায় কেন?
-আমার বউ কে দেখতে ইচ্ছে করলো তাই
চলে আসলাম।
-তাই এই সময়ে?
-তো কি হয়েছে।আজ একসাথে লাঞ্চ করবো।
-তুমি টেবিলে বসো আমি খাবার নিয়ে আসছি।
-আমি নিয়ে আসছি।এখন থেকে তুমি কোন কাজ
করবে না।
-আমি কাজ না করলে কে কাজ করবে?
-আমি কাজ করবো।
-কেন তুমি কাজ করবে?
-কারন তুমি কাজ করলে বাবুটার ক্ষতি হতে পারে।
-কিসের বাবু?
-কারন আমি বাবা হতে চলেছি।
-তোমাকে কে বলল?
-ভাবছ তুমি না বললে জানতে পারবো না?
লিমা আমাকে ফোন করে সব বলেছে।
-কি!!! আগেই বলে দিয়েছে?
আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু পারলাম না।ওকে পাই কাছে ওর খবর আছে।
-ওর খবর করতে হবে না। বলে ফুল গুলো হাতে
নিয়ে হাটু গেড়ে রোমান্টিক ভাবে বউ কে
ফুলগুলো দিয়ে বললাম
-আই লাভ ইউ।
-বাহ এত রোমান্টিক হয়ে?
-হ্যা। আমি তো তোমার জন্যই রোমান্টিক
হবো।
-আই লাভ ইউ টু।
-তোমাকে চুমু খেতে ইচ্ছে করছে।
-এখন না এখন থেকে বাবুয় দেখবে। তাই যখন তখন
চুমু
খাবে না বাবু কি ভাববে?
-বাবু ভাববে তার বাবা অনেক রোমান্টিক আর তার
মা কে অনেক ভালবাসে।
-তাই। তাহলে আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরছি।
-হুম।
বউ আমাকে জড়িয়ে ধরলো। তারপরে খেয়ে
সারাদিন
অনেক ঘুরলাম। অনেক ভাল লাগছে। ছোট
বেলায় যখন
কাউকে দেখতাম বাবা হওয়ার কথা শুনে খুশি
হয়েছে।
আমি তখন ভাবতাম “বাবা হওয়ার আবার আনন্দ আছে?”
কিন্তু এখন দেখছি বাবা হওয়ার অনেক আনন্দ।

কিন্তু সেই সুখ আমার কপালে বেশি খন থাকলো না,
কাল অফিস থেকে এসে দেখি নিরুনা ভাসায় নাই,

ভাবলাম হয়তো আসে পাশে কার ভাসাই গেছে কিন্তু না কোথায় জায়নি সব বন্দুদের সাথে ফনে যোগাযোগ করে ও নিরুনার কোন খবর পেলাম না,

হঠাত একটা ফোন আসে,
ফোন দরার পরে বুজতে পারলাম নিরুনার ভাই ফোন দিছেন,
আমি বললাম নিরুনার কাছে ফোনটা দিন,
উনি আমার কথার জবাবে বললেন নিরুনা আপনার সাথে আর কোনদিন কথা বলবে না,
কিন্তু কেন…..?

এর উত্তর আপনারা পরের অংশে জানতে পারবেন,
বন্দুরা গল্পটা অনেক লম্বা তাই এক সাথে লিখা সম্বভনা,
আর বানানের ভুলের জন্ন্য আমি রেলি সরি,
আলি আমজদ কাওছার


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser