,
সংবাদ শিরোনাম :

গল্পের নামঃ- Sorry পাগলী সোনা

সময় সংলাপ ডেস্ক

গল্পের নামঃ- Sorry পাগলী সোনা
লেখক:অচেনা বালক( টুনির বর)
আশিক—ওগো,দরজাটা কি খুলবে?
নাকি সারারাত আমাকে ঘরের বাইরে দাড় করিয়ে রাখবে!!
মেঘা—(কান্না করে)তুই এই ঘরে আসবিনা, ঘরের বাইরেও দাড়াবি না,যা ওই সুন্দর মেয়ের কাছে যা
এখানে কেন এসেছিস?
আশিক—ওগো,সরি গো,ভুল হয়ে গেছেআর হবেনা,এবার আমার বউয়ের মুখটা একটু দেখতে দাও”!!
মেঘা—(কান্না করে)তোকে আমার মুখ দেখতে হবেনা,
তুই যা ওই মেয়ের মুখ দেখ!”
এবার সত্যিই আমি বাইরে চলে আসলাম(কোন মেয়ের কাছে না,দোকানে আসলাম) দোকানে এসেই একটা দুই টা আইস্ক্রিম নিয়ে আবার চললাম বাসার দিকে”””!”
আশিক—এই যে দরজাটা কি খুলবেন?
মেঘা—হুম! কেন ওই মেয়ে জায়গা দেয়নি? দেখা তো করে আসলা”!!
আশিক—হুম,জায়গা দেয়নি,এখন দরজাটা খোল”!!
মেঘা—শয়তান,যা যা ওই মেয়ের কাছে যা,তুই আর এই ঘরে আসবিনা”!
আশিক—আচ্ছা,আমি আর আসবনা,এই গেলাম ওই মেয়ের কাছে’!!
মেঘা—ওই জান,দাড়া”!!
দরজা খুলে কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে এসে আমার শার্টের কলার চেপে ধরল ___
ওই জান,কই যাস? চুপচাপ রুমে আয়!!
এই বলে আমার কলার চেপে আমাকে রুমে নিয়ে পাগলিটা দরজা লক করে দিল। অন্য রুমে গিয়ে কাঁদতে শুরু করল।এই হলো আমার পাগলি বউ মেঘা।
পাগলিটা খুব অভিমান করে।কিন্তু আমাকে অনেক ভালোবাসে।
আজ বিকালে মেঘাকে নিয়ে ঘুরার সময় এক বান্ধবীর সাথে দেখা অনেক হাসি-মজার কথায় দুষ্টামি চলল আমি ইচ্ছা করেই মেঘাকে রাগানোর জন্য বান্ধবীর সাথে অনেক ক্লোস হয়ে কথা বললাম”!!”
কিছুখন পর রওনা দিলাম পাগলী টা চুপ চাপ ” বাসায় যাওয়ার পর ঘরে ঢোকার সময় দরজাটা আটকে দিল” আমাকে ঢুকতে দিলোনা ” আর পাগলী টা রুমে ডুকেই কান্না শুরু করে দিলো”
আমি এতটা রাগাতে চাইনি কিন্তু বুঝলাম পাগলিটা অনেক কষ্ট পেয়েছে এখন কি আর করার!
নিজের কপাল নিজেই ফাটালাম ……….
রাত ১০টা।
দেখলাম রুমের দরজা খুলেছে দেখি খাবার নিয়ে বসে আছে কিছু না বলে চুপচাপ ওর সামনে গিয়ে বসে থাকলাম
কতক্ষণ পর ও বলল”
মেঘা—বসে আছ কেন? খেয়ে নাও”!
আশিক—তুমি ও খাও–(রেগে)
মেঘা—কথা না বলে চুপ করে খাও”!!
দেখলাম কেঁদে কেঁদে মুখটা লাল করে ফেলেছে
আশিক—ওই SORRY,তোমাকে একটু রাগানোর জন্য এমন করেছিলাম,বুঝতে পারিনি তুমি এতো কষ্ট পাবে”!!
মেঘা–ভালো,এখন খেয়ে নাও!!!
আশিক—হুম ,তোমাকে খাইয়ে দেই!!!
মেঘা—তো!!! আমি কি নিজের হাতে কখনো খেয়েছি নাকি!!
আশিক– হুম আসো খাইয়ে দেই”!
……..
পাগলিটাকে খাইয়ে দিয়ে খাওয়া শেষ করে যখন উঠতে গেলাম তখন ও বলল”
মেঘা—কি?? উঠছ কেন???
আশিক—মানে! খাওয়া শেষ তো”!
মেঘা—চুপচাপ খেতে থাকো,
আমি যতক্ষণ বলব! ততক্ষণ খাবে একটা কথা বলবে! তো বাইরে রাত কাটাতে হবে”
আশিক — আমি আর পারবোনা এই বলে উঠে গেলাম” কোন রকম রুমে গিয়ে ঘুমাতে যাবো!! তখন মেঘা এসে বিছানার মাঝে বালিশ দিয়ে বিছানা ভাগ করে দিল। আর একপাশে শুয়ে পরল
তার আগে আমাকে বলল”
মেঘা—একা আমার ঘুম হয়না,তাই বিছানায় জায়গা পেয়েছ,তবে আমাকে স্পর্শ করলে তোমার খবর আছে!!
আশিক–কিছু না বলে চুপ করে শুয়ে পড়লাম”! কিন্তু ঘুম আসেনা ………
কতক্ষণ পর দেখি মেঘা ঘুমায়নি,আর দেখছে আমি ঘুমিয়েছি কিনা!
আমি চোখ বুজে থাকলাম”
কিছুক্ষণ পর””!
মেঘা বিছানার মাঝের বালিশটা সরিয়ে আমার বুকে মাথা রাখল
……..
অনুভব করলাম বুক ভিজে গেছে। মানে পাগলিটা কাঁদছে।নাহ,আর পারলাম না পাগলিটাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। …….
দেখলাম,মেঘা কাঁদো কাঁদো চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকাল,কিন্তু কিছু বলল না। ……..
পরে আমিই বললাম
আশিক—SORRY”!!
মেঘা—হুম”!!
আশিক—ওই SORRy
মেঘা—হুম
আশিক—SORRY,আর এমন করবনা
প্লিজ এবারের মতো ক্ষমা করে দাও!
মেঘা—(কেঁদে কেঁদে)শয়তান,কুত্তা আমাকে কাঁদাতে ভালো লাগে! তুমি জানো না তুমি অন্য কোন মেয়ের সাথে কথা বললে আমি কতো কষ্ট পাই।
তুমি কেন ওই মেয়ের সাথে এতো দুষ্টামি করতে গেলে? তাও আমার সামনে!!
আশিক—আর করবনা,শুধু এইবার ক্ষমা করে দাও (আকাশ)
মেঘা—আর কখনো করবে??
আশিক—আর কখনো করবনা””
মেঘা—হুম,এখন আমাকে জড়িয়ে ধরো,ঘুম পাচ্ছে,ঘুমাব”!!
রাত ২টা বাজে,
চারদিকে সব নিস্তব্ধ। জানালা দিয়ে জোৎনা চাঁদের আলো উকি দিচ্ছে, আর আমার পরীটা আমার বুকে ঘুমিয়ে আছে। হুম….অনেক ভালোবাসি আমার পাগলিটাকে। সারাজীবন আগলে রাখব,কারন এই পাগলিটাকে ছাড়া একটা মুহূর্ত আমি কি করব! সেই ভাবনা আমার হৃদয়ে কম্পন করে।
দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার জন্য তেমন কিছুর প্রয়োজন নেই “!! শুধু দুজন দুজনার প্রতি অন্ধ বিশ্বাস টা থাকলেই হলো ” কথায় আছে নিজে
ভালো থাকলে জগত টাই ভালো”!


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser