,
সংবাদ শিরোনাম :

আমি বাসবো ভালো শুধু যে তোমায়

সময় সংলাপ ডেস্ক

আমি বাসবো ভালো শুধু যে তোমায়
উৎসর্গ : Ariyan_Sohag
লিখা : অভিমানি রাজকন্যা (Rumta)
বাসস্টপে দাঁড়িয়ে বাসের অপেক্ষা করছে আরিয়ান,, হঠাৎই বৃষ্টি নামার কারনেই বাস আসতে এতো দেরি হচ্ছে।। আজ হয়তো তার আর কলেজে যেয়ে ক্লাস করা হবে না,, এসব ভাবতে ভাবতেই সে হঠাৎই অনুভব করলো কে যেন একটা দৌড়ে এসে তার পাশে ছাতার নিচে দাঁড়িয়েছে।। আরিয়ান ভাবছে কে এসে দাঁড়ালো তার পাশে,,ভাবতে ভাবতেই যেই না সে তার দিকে একটু তাকালো তাতেই সে ৪৪০ ভোল্টের একখান টাস্কি খেল,,
এ দেখি মেঘ না চাইতেই পানি,,, সেই ক্লাস সিক্সের থেকেই মেয়েদের সাথে কথা বলার জন্যে চেষ্টা করছে কিন্তু মেয়ে কেনো মেয়ের ম ও তার সাথে কথা বলে না।। আর আজ কি না জলজ্যান্ত কন্যা তার পাশে এসেই দাঁড়িয়েছে?? আরিয়ান হাসবে না কাঁদবে কিচ্ছুই ভেবে পাচ্ছিল না। সে একটু খেয়াল করে দেখলো যে মেয়েটার মধ্যে অনেক ভীতি কাজ করছে।। না করার কিছুই নাই,, একজন অপরিচিত ছেলে যাকে সে চিনে না জানে না হুট করেই তার ছাতার নিচে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছে আরো আশেপাশে কেউই নেই ভয় তো পাবেই,,
আরিয়ান আরো খেয়াল করে দেখলো যে মেয়েটা বৃষ্টিতে অনেকটাই ভিজে গিয়েছে,, তাই সে তার ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে মেয়েটাকে দিলো আর তার ভীতি কমানোর জন্যে তাকে বলল,,

>> আপনি প্লিজ ভয় পাবেন না,, আপনি অনেকটা ভিজে গিয়েছেন এই রুমাল টা নিয়ে যতোটা সম্ভব পানি মুছে ফেলুন না হয় আপনার ঠাণ্ডা লেগে যাবে।
>> মেয়েটা রুমাল টা আরিয়ানের হাত থেকে নিয়ে বলল ধন্যবাদ,,

আরিয়ানের এবার ২য়বার টাস্কি খাওয়ার পালা,,সে ভাবছে একটা মেয়ের কন্ঠ এতো টা সুন্দর কিভাবে হতে পারে। একইভাবে আরো ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও বাস না আসাতে আরিয়ান মেয়ে টাকে জিজ্ঞেস করলো,,
>> কিছু যদি মনে না করেন তাহলে আমি জানতে পারি আপনি কোথায় যাবেন??
>> আমি আসলে একটু হসপিটালে যাবো,, আমার মামা একটু অসুস্থ তাকে দেখতে যাবো,,
>> ও আমার কলেজটাও তো ওইদিকে,, আজ হঠাৎ এমন বৃষ্টি আসাতে বাস আসতে দেরি করছে,, আচ্ছা আপনার যদি কোনো সমস্যা মনে না হয় তাহলে আমি কি আপনাকে ওইখানে পৌছে দিবো??

>> আচ্ছা ঠিক আছে,, আপনি ও তো ওইদিকেই যাবেন তাহলে একসাথেই যাই,, কিন্তু বাস তো এখনো এলো না কি করে যাবো??

>> সামনে কিছুদূর হেটে গেলেই কোনো ভ্যান,, অটো কিছু না কিছু পেয়েই যাবো,, আপনি আসুন।।

আরিয়ান তখনো মেয়েটার মুখ দেখেনি,, কারন সে ওড়না দিয়ে ঘোমটা দেওয়া ছিল আর সামনে ছোট করে কাটা ভেজা চুল গুলার জন্যে মুখটা ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছিল না।। আরিয়ান শুধু মনে মনে ভাবছে কে এই মায়াবীনি।। কোথায় থাকে,,কি করে,,
রাস্তা দিয়ে যেতে যেতেই আরিয়ান শুধু মেয়েটার নাম জিজ্ঞেস করেছিল,,মেয়েটার নাম মেহেরিন মিহা।।
মেয়েটা ও যেমন মায়াবী নামটাও মায়াবী,,, আসলে মায়াবীনির সকল কিছুই মায়াময়ই হয়।। কিছুদূর যাওয়ার পরে আরিয়ান একটা ভ্যাননপেলো তারপর মিহা কে হসপিটালে পৌঁছে দিলো তখন আরিয়ান মিহার মুখটা দেখতে পেলো,, মেয়েটা আসলেই মায়াবীনি,, যে কেউ দেখতেই তার মায়ায় পড়ে যাবে।। আরিয়ান মিহাকে হসপিটালে পৌঁছে দিয়েই বাড়ির দিকে রওনা দিল কেনোনা কলেজে যেতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল,, বাড়িতে গিয়েও আরিয়ানের মিহার কথা যেনো আরো বেশী বেশীই মনে পড়ছে। মিহার কথা ভাবা ছাড়া আরিয়ানের যেন কিছুই ভালো লাগছে না,,
দুপুরবেলা খাওয়ার টেবিলে আরিয়ানকে আনমনা দেখে তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলো,,
>> কিরে না খেয়ে খাবার সামনে নিয়ে বসে বসে কি এতো ভাবছিস রে বাবা??

>>( আরিয়ান বলদা মার্কা একটা হাসি দিয়ে বলল) মা ও কিছু না।।

ভাগ্যিস আরিয়ানের বোন সেখানে ছিল না,, নাহলে আজকে সব কিছু টেনেহিচড়ে বের করেই ছাড়তো,, তাই তার সাথে যেন এখন দেখা না হয় তাই তাড়াতাড়ি খেয়ে নিজের রুমে চলে গেলো,, রুমে গিয়েই আবার ডাঃ জগদীশ চন্দ্র বসুর মতো মিহার ভাবনার জগতে হারিয়ে গেলো। কিছু সময় বাদেই একটা মশার স্পেশাল ইনজেকশনের দ্বারায় আবার নিজের জগতে ফিরে এলো। তখন সে আয়নার সামনে এসে নিজে নিজেই বলছে,
>>আমি কেনো ওই মেয়েটার কথা এতো ভাবছি?? কে হয় ও আমার?? তাহলে কি আমি ওর প্রেমে পড়ে গেছি??
নাহ আরিয়ান তোমাকে এখন এই প্রেম পিরিতির কথা ভাবলে চলবে না,, মন দিয়ে পড়াশুনা করো,, বাবু পড়াশুনা করো।।
কিন্তু মন দিয়ে পড়াশুনা করবো কেমন করে মন তো মায়াবীনি চুরি করেছে।। নাহ আর পারছি না।।

ঐদিন রাতটা কোনো রকম ভাবেই কাটিয়ে দিয়েই ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কলেজে যাওয়ার আগে মিহার সাথে তার যেখানে দেখা হয়েছিল সে সেখানে একটু অপেক্ষা করলো কিন্তু মিহা কে দেখতে না পেয়েই সে কলেজে চলে গেলো,, সেখানেও আরিয়ানের মন খারাপ,,আনমনা, তাই তাড়াতাড়ি ক্লাস সেরে বাড়ি ফিরে এলো,, এইভাবেই দুইদিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরে সে যখন কলেজের গেট দিয়ে কলেজে ঢুকছিল তখন সে মিহা কে দেখতে পেলো তার কিছু ফ্রেন্ডস দের সাথে হাসাহাসি করতে করতে ভিতরে যাচ্ছে।। তাই আরিয়ান তার সাথে কথা বলার জন্যে এক দৌড়ে প্রায় তার পাশাপাশি গিয়েই থামলো ,, আর তখনি মিহা আরিয়ান কে দেখলো আর বলল,,,

আরে আপনি এইখানে?? কেমন আছেন??

আরিয়ানের মনে হয়েছিল যে মেয়েরা অনেক স্বার্থপর হয়। তাদের কাজ শেষ হয়ে গেলে তারা আর ফিরে দেখে না।। কিন্তু তার ধারনা মিহা ভুল প্রমাণ করে দিল যে সব মেয়েরা স্বার্থপর হয় না।। এইসব ভাবছিল তাই একটু চুপ করে ছিল আরিয়ান মিহার মুখের দিকে তাকিয়ে

এই কি হলো আপনার?? কথা বলছেন না কেনো??

অ্যা,, ইয়ে মানে কিছুনা,, এইতো ভালো,, আপনি কেমন আছেন আর আপনার মামা কেমন আছেন??

জী মামাও ভালো আছে আর আমিও ভালো আছি।। এই শুনেন আজ আমার একটা ইম্পরট্যান্ট ক্লাস আছে এখন আসছি।  আরে এ দেখি চলে গেলো,, কিসে পড়ে তাইই তো জানতে পারলাম না। যাকগে তো,, একই কলেজেই তো পড়ি অন্য একদিন যেনে নিবো।।পরের দিন আবার মিহার সাথে কথা হলো আরিয়ানের,,

, কেমন আছেন?? (আরি)

, এইতো ভালো,, আপনি??( মিহা)

, হুম ভালো,, আচ্ছা আপনি কিসে পড়েন??

, কেনো চেয়ার আর টেবিলে।। (মুচকি হেসে)

, না মানে আমি ওইটা বলিনি।। বলছিলাম যে আপনি কোন ক্লাসে পড়েন??
, ওওও সোজা ভাবেই তো বললেই হয় এতো মানে মানে করা লাগে নাকি?? আমি ইন্টার ১মে পড়ি,, আপনি??

, না আমি অনার্স ৩য় তে।। আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা কথা বলবো আপনাকে??

, তখন থেকে কি আপনি আপনি করে যাচ্ছেন আমি তো আপনার অনেক ছোট,, আর কি যেন বলবেন বলেন

, ইয়ে মানে তো তো তোমার যদি কোনো সমস্যা না থাকে তাহলে আমরা কি ফ্রেন্ডস হতে পারি??

, আরে এতো তোতলাচ্ছেন কেনো?? ওকে আজ থেকে তাহলে আমরা ফ্রেন্ডস।। মিহা হাত বাড়িয়ে বলল

আরিয়ান এই ১ম কোনো মেয়ের স্পর্শ পেয়ে আবারো ৪৪০ ভোল্টের শখ খেলো,,
আরিয়ান মিহাকে যথাসম্ভব হেল্প করার চেষ্টা করতো,, মাঝেমাঝে ফোনে কথা বলতো,, কলেজে দেখা করতো,,এইভাবে তাদের ফ্রেন্ডশিপের ২ বছর কেটে যায়,, আরিয়ান মাস্টার্সে ভর্তি হয় আর একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি তে জবও করতে থাকে,,আর মিহা অনার্সে ভর্তি হয়,, একদিন মিহা আরিয়ান কে ফোন দিয়ে বলে তার সাথে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।। তো আরিয়ান অফিসের কাজ করে রেখে মিহার সাথে দেখা করে। তখন মিহা আরিয়ানকে বলে,,

, জানো বাবা না আমার বিয়ে ঠিক করেছে,, কিন্তু আমি অন্য একজন কে ভালোবাসি তাকে ছাড়া কিছুতেই আমি থাকতে পারবো না,, তুমিই বলো না আমি এখন কি করি?? (মিহাও মনে মনে আরিয়ানকে ভালোবাসতো)

, কথা গুলা শুনেই আরিয়ানের মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো।। তাই সে চুপ করেই থাকলো।।

, এই তোমাকে তো আমি কিছু বললাম কিছু তো বলো আমাকে।

, কি বলব ভেবে পাচ্ছিনাতো।তুমি যাকে ভালোবাসো তাকে তোমার বাড়িতে প্রস্তাব পাঠাতে বলো

, আরে সে তো জানেই না যে আমি তাকে কতো ভালোবাসি।।

, ও তাহলে আর কি করবা?? জানে না যখন তাহলে বাবা মা যেখানে বিয়ে দেয় সেইখানেই করো।।মিহা আমাকে একটু যেতে হবে অনেক কাজ বাকি আছে।। চলো।

মিহা জানতো যে আরিয়ান তাকে অনেক ভালোবাসে তাই অন্যকাউকে ভালোবাসার কথা বলাতে আরিয়ান কষ্ট পেয়েছে।।

ওইদিন আরিয়ান বাসায় যাওয়ার পরেই আরিয়ানের মা আরিয়ানকে বলছে,,

, দেখ বাবা আমার এখন বয়স হয়েছে।। আর কতো দিনই বা বাচবো।। আমারও তো শখ হয় নাতিনাতনির মুখ দেখার

, মা তুমি কি বলতে চাইছো??

, দেখ আমি তোর জন্যে একটা মেয়ে দেখেছি,, আমি চাই তুই তাকে বিয়ে কর।।

, আমি তোমাকে পরে বলবানি মা।।

এই বলে আরিয়ান ভাবছে মায়ের তো সত্যি অনেক বয়সই হয়েছে,, আর মিহা তো অন্য কাউকে ভালোবাসে, আমাকে তো ভালোবাসে না,, এইসব ভেবে চিন্তে আরিয়ান তার মায়ের কথায় রাজি হয়ে গেল।।

এক সপ্তাহ পরে,,,,

আজ আরিয়ানের বাসর রাত,, কিন্তু আরিয়ানের কিছুতেই মন চাইছে না ঘরে যেতে,,আরিয়ান মায়ের কথায় এই মেয়েটিকে না দেখেই বিয়ে করেছে।। আর বার বার তার মিহার কথা মনে পড়ছে আর এতো দিন অভিমান করে তার সাথে কথা বলেনি।। তাই ভাবলো তাকে একটা ফোন করার কথা,, কিন্তু মিহার ফোন বন্ধ,, অনেক চিন্তা ভাবনা করে সে ঘরে গেলো।। গিয়ে দেখলো যে তার বিয়ে করা বউ ঘরে নেই,,, মনে হয় বউ পালিয়েছে,, যাক আপদ বিদায় হইছে,, এই বলেই আরিয়ান একটু হাফ ছেড়ে যেই বসতে গেল সেই তার ফোন বেজে উঠলো।। একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এসেছে,, রিভিভ করার পরে,,

, হ্যালো, কে??

, এক্ষুনি একবার আপনাদের বাড়ীর ছাদে আসুন।।

, কিন্তু আপনি কে আর আমকে কেনো বলছেন ছাদে যেতে??

, আবে ওই আসতে বলেছি আসেন না হলে কিন্তু,,,,,,,,

, না হলে কি করবেন হুম??

, আগে আসেন তারপর বলছি।।

ভয়ে ভয়ে আরিয়ান ছাদে গিয়েই টাস্কি,,,

যে পালিয়েছে বলে এতো খুশি হয়েছিল,, সেই তো ছাদে দাঁড়িয়ে আছে।।

কাছে যেয়েই আরিয়ান বলল,,

, দেখেন আমি আপনাকে আমার বউ হিসাবে মানি না,, মায়ের কথা রাখতেই আপনাকে বিয়ে করেছি।। আমি অন্যকাউকে ভালোবাসতাম কিন্তু কোনো দিন বলতে পারি নি।। তাই তার যায়গা আমি কাউকে দিতে পারবো না।।

, অন্য কারো জন্যে তো আপনি আমার জীবনটা নষ্ট করতে পারেন না।। (আরিয়ানের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে)

, মিহা তুমি??

, হুম আমি,,, কুত্তা বল তুই কাকে ভালবাসতি?? (পাঞ্জাবীর কলার টেনে ধরে)

, এই ছাড়ো ছাড়ো,, মরে যাবো, মরে যাবো,, বলছি, বলছি, শোনো, শোনো।।

, আমি তোমাকেই ভালোবাসতাম মিহা।।

, মিথ্যা বলার আর জায়গা পাওনা না চান্দু??

, মিহা সত্যি বলছি আমি তোমাকেই ভালোবাসতাম সেই ১ম দিন থেকেই।।

, তাহলে আগে বলোনি কেনো??

, ভয়ে,, আর তুমিই তো বলেছিলে তুমি অন্যকে ভালোবাসো তাই।। কিন্তু তুমি কিভাবে আমার বাড়িতে এলে??

, আমিও তোমাকে ভালোবাসতাম,, জানতাম তোমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না তাই আমিই আন্টিকে মানে শাশুড়ি মাকে সব বলেছিলাম,, ব্যাস সব কিছু রেডি হয়ে গেল।। কিন্তু এর আগে আমাকে প্রপোজ করোনি,, তো এখন আমাকে প্রপোজ করো,, নেও

, উমমম,, না আমি পারবো না।। বিয়ে তো হয়েই গেসে এখন আবার প্রপোজ করবো কেনো??

, কিহ প্রপোজ করবানা?? তাহলে আমিই ছাদ থেকে লাফ দিচ্ছি।।

, এই না না,, এমন করে না দাড়াও প্রপোজ করছি।।

, হুম করো,,

, আই লাভ ইউ মিহা

, ওই কুত্তা মিহা না বউ বলো

, হুম,, আই লাভ ইউ বউ।

,আই লাভ ইউ টু বর,,

, একটু জড়িয়ে ধরি??

,এইটাও কি আমার বলে দেওয়া লাগবে??

চাঁদনী রাতে দুইজনের কন্ঠে ভেসে আসছে “জনম জনম থেকে পাশে ভুলনা আমায় আমি বাসবো ভালো শুধু যে তোমায়“

আর আপনারা সুস্থ থাকুন,, ভালো থাকুন আর এই রুমতার পাশেই থাকুন


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser