,
সংবাদ শিরোনাম :

নির্বাচনি সমঝোতা কী জিনিস?

সময় সংলাপ ডেস্ক

দেশের রাজনীতিতে সমঝোতার সবচেয়ে বড় উদাহারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল সংবিধান সংশোধন করে এই বিধান যুক্ত করার জন্য–যেটি ছিল তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের দাবি। রাজনীতির নির্মম পরিহাস, আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে সেই বিধান সংবিধান থেকে বাতিল হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলেই।

যে বিএনপি একসময় নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের বিরোধী ছিল এবং ‘পাগল ও শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া, তারাই কিন্তু এখন নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে সোচ্চার। যদিও এখন তারা সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে এসে বলছে, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার। আরও পরিষ্কার করে বললে, তারা চাচ্ছে নির্বাচনকালে এমন একটি সরকার থাকবে, শেখ হাসিনা যার প্রধান থাকবেন না। সবশেষ ১২ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায়ও খালেদা জিয়া বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়।

মাস কয়েক আগে বাংলা ট্রিবিউনেই আমি লিখেছিলাম, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার মানে ‘অসহায় সরকার’। অর্থাৎ সরকার প্রধান হিসেবে যিনিই থাকুন না কেন, নির্বাচনকালীন সময় বলতে যে তিন মাসকে বোঝায়, সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক এবং আইনিভাবে এতটাই শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাখা দরকার যে, ওই তিন মাসে নির্বাচন কমিশনের হুকুম ছাড়া ‘গাছের পাতাও নড়বে না’। সরকার একেবারেই অসহায় থাকবে। কেবল রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। সরকারের মন্ত্রীরাও ওই তিন মাস কোনও ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার চালাবেন না।


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser