,
সংবাদ শিরোনাম :

বাস-ট্রেন বন্ধ, অবরোধে স্থবির চবি

সময় সংলাপ ডেস্ক

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে।বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা এই অবরোধে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী শিক্ষকদের কোনো বাস যেতে দেননি। শহর থেকে ক্যাম্পাসমুখী শাটল ট্রেনও আটকে দিয়েছে।

ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রায় দেড় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার ট্রেন বটতলী থেকে ঝাউতলা স্টেশনে আসলে আটকে দেন অবরোধকারীরা। তারা ভোর চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দেন এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

ক্যাম্পাস থেকে বাস যেতে না পারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. শফিউল আযম বলেন, ‘অবরোধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের কোনো বাস ছাড়েনি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবহন দফতরের এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, সকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে বাস না চলালোর জন্য হুমকি দিয়ে গেছেন। এরপর কোনো বাস ছেড়ে যায়নি।

ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শাহাব উদ্দীন জানান, অবরোধকারীরা সকালে ট্রেন আটকে দেয়। ফলে সকাল আটটার ট্রেনও বটতলী থেকে ছাড়েনি।

ইতিহাস বিভাগের ছাত্র কাউসার আহমেদ বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। অবরোধের কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।’

চবির সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আন্দোলনকারী কাউকে ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে গতকাল সোমবার ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে ওই ঘটনায় দায়ের মামলার অন্যতম আসামি সদ্য বিলুপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপুর অনুসারিরা।

তারা সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে ২৪ নভেম্বর আদালতে অভিযোগ (সিআর মামলা) দেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। এক বছর পেরোলেও পুন:ময়না তদন্ত, তদন্ত ভার সিআইডি হয়ে পুলিশ, হত্যা মামলা হিসেবে থানায় নথিভুক্ত ছাড়া আর কোনো কিছুই হয়নি। গ্রেফতার হয়নি কোনো আসামিও।


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser