,
সংবাদ শিরোনাম :

জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে আলোর রেখা দেখা দিয়েছে শাকিব-অপুর সংসারে

সময় সংলাপ ডেস্ক

ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। পর্দার জুটি থেকে বাস্তবেও জুটি হয়েছেন তাঁরা। বিয়েতে আবদ্ধ হয়েছেন ২০০৮ সালের ১৮ এপিল মাসে। একেবারে গোপনেই বিয়ে করেছিলেন এ জুটি। তবে তাদের বিয়ের খবর যখন প্রকাশ্যে এলো তার কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় জটিলতা। গত ৪ ডিসেম্বর হঠাৎ করেই অপুর বাসায় তালাকনামা পাঠান শাকিব খান। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে তাদের কি তালাক কার্যকর হয়েছে?
এদিকে দাম্পত্য জটিলতা কাটিয়ে শাকিব-অপুর সংসারে আলোর রেখা দেখা দিয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের হস্তক্ষেপে তারা আবারও একসঙ্গে পথ চলতে সম্মত হয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে তারা শাকিব-অপুর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। সেগুলো নিয়েও কথা চলছে। আশা করছি, তাদের আবার মিলন ঘটবে। হুট করে তালাক হয়ে যায় না। তিন মাস সময় আছে। এর মধ্যে কিছু সময় পার হয়েছে। বাকি সময়ের মধ্যে একটা সুখবর আসবে বলে আশা করছি।

এর আগে অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠানোর আগেই একজন প্রযোজক বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তিনি সফল হননি।
জানা গেছে, শাকিব-অপুর সঙ্গে আলোচনাকালে যখন কেউ সিদ্ধান্ত মানতে একমত হচ্ছিলেন না, তখন অপু দাবি করেন, তাকে ৫ কোটি টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে শাকিব খান দেন মোহরে ধার্যকৃত ৭ লাখ ১ টাকাই দেওয়ার কথা বলেন।

এ বিষয়ে শাকিব খানের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, শাকিব খান যেভাবে চান অপু বিশ্বাস সেভাবে চলেন না। তিনি নিজের ইচ্ছাকেই বেশি প্রাধান্য দেন। এ কারণে শাকিব খানকে বিচ্ছেদের মতো একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এখন দেখা যাক সামনে কি ঘটে।

এদিকে, গত এপ্রিলে ঢাকাই ছবির আরেক নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের পর পরই গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন অপু।

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস তাদের বিয়ের খবর গত নয় বছর ধরে গোপন রেখেছিলেন। এরপর এ বছরের ১০ এপ্রিল দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে, এর সত্যতা নিশ্চিত করেন অপু বিশ্বাস নিজেই। এতদিন অপু বিশ্বাস গোপনে আগলে রেখেছিলেন শাকিব খানের ঔরসজাত সন্তানকে। কলকাতার একটি ক্লিনিকে ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় শাকিব-অপুর ছেলে আব্রাহাম খান জয়ের। সে সময় অপু বিশ্বাসের সিজারও করা হয়। এ খবর প্রকাশের পর থেকেই শাকিবের সঙ্গে অপুর মান-অভিমান চলছেই। একটা সময় গিয়ে এ নিয়ে শাকিবের সঙ্গে অপুর দূরত্ব তৈরি হয়। এখন ছেলেকে নিয়ে রাজধানীর নিকেতনের বাসায় অপু তার পরিবারের সঙ্গে শাকিবকে ছাড়াই আছেন।

২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জুটি বাঁধেন শাকিব-অপু। এরপর তারা একসঙ্গে জুটি হয়ে ৫৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সফল পরিণতি হিসেবে ২০০৮ সালে তারা ঘর বাঁধেন। গত বছর তাদের কোলজুড়ে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান আব্রাম খান জয়।

দাম্পত্য জীবনের জটিলতা কাটিয়ে বহুল আলোচিত তারকাজুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসারে আলোর রেখা দেখা দিয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের হস্তক্ষেপে তারা আবারও একসঙ্গে পথ চলতে সম্মত হয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে তারা শাকিব-অপুর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। সেগুলো নিয়েও কথা চলছে। আশা করছি, তাদের আবার মিলন ঘটবে। হুট করে তালাক হয়ে যায় না। তিন মাস সময় আছে। এর মধ্যে কিছু সময় পার হয়েছে। বাকি সময়ের মধ্যে একটা সুখবর আসবে বলে আশা করছি।

অন্য একটি সূত্র জানায়, শাকিব-অপুর সংসার টিকিয়ে রাখতে ইতিমধ্যে কয়েকজন মধ্যস্থতাকারী দফায় দফায় তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে। কিন্তু এখনো কোনো সুরাহা হয়নি। দুজনের দাবি-দাওয়া নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

সূত্রটি আরও জানায়, তবে আশার কথা হচ্ছে তারা দুজনেই আবার একসঙ্গে পথ চলতে সম্মত রয়েছেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাদের দুই পক্ষ থেকেই কিছু শর্ত রয়েছে। এই শর্তগুলোর ব্যাপারে তারা যদি ছাড় দেয়, তাহলে শিগগিরই দুজনের মিলন ঘটবে।

জানা যায়, অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠানোর আগেও কয়েকজন বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সফল হননি।
বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে আরও জানা যায়, শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনাকালে যখন কেউ সিদ্ধান্ত মানতে একমত হচ্ছিলেন না, তখন অপু দাবী করেন, তাকে ৫ কোটি টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে শাকিব খান দেন মোহরে ধার্যকৃত ৭ লাখ ১ টাকাই দেওয়ার কথা বলেন।
এ বিষয়ে শাকিব খানের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, শাকিব খান যেভাবে চান অপু বিশ্বাস সেভাবে চলেন না। তিনি নিজের ইচ্ছাকেই বেশি প্রাধান্য দেন। এ কারণে শাকিব খানকে বিচ্ছেদের মতো একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এখন দেখা যাক সামনে কি ঘটে।

২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জুটি বাঁধেন শাকিব-অপু। এরপর তারা একসঙ্গে জুটি হয়ে ৫৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সফল পরিণতি হিসেবে ২০০৮ সালে তারা ঘর বাঁধেন। গত বছর তাদের কোলজুড়ে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান আব্রাম খান জয়। কিন্তু নানা মনোমালিন্যের জেরে ৪ ডিসেম্বর অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠান শাকিব খান।


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser