,
সংবাদ শিরোনাম :

হতাশা কমেনি চলচ্চিত্রশিল্পে? বিস্তারিত

সময় সংলাপ ডেস্ক

কয়েক বছর ধরেই চলচ্চিত্র শিল্পের মানুষদের মুখে হাসি নেই। হিট, সুপারহিটের সংখ্যা কমে বাড়ছে ফ্লপ ছবির সংখ্যা। চলতি বছরেও হতাশা কমেনি চলচ্চিত্রশিল্পে। প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ টেকনিশিয়ানরা সারা বছর শ্রম দিলেও চলচ্চিত্র ব্যবসায় ঘাটতি বেড়েছে। হিসাব করে দেখলে সেরা দশটি চলচ্চিত্রও ব্যবসায়িক তালিকায় খুঁজে পেতে কষ্ট হবে। অনেক নির্মাতা আশা করলেও খুব কম চলচ্চিত্রের জন্য দর্শকের ভিড় প্রেক্ষাগৃহে দেখা গেছে।এ বছর মোট ৬৩টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটির প্রযোজক হয়তো তাদের লগ্নিকৃত পুঁজি তোলার পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে। আর ৫টির মতো ছবি পুঁজি তুলে লাভের মুখ দেখেছে। বাকি সব ছবিই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে চলচ্চিত্র ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। মোট কথায় একটা খারাপ সময় পার করেছে আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প।
মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির তালিকা
গত বছর চারটি ছবি করা হলেও এবার তা বাড়িয়ে ভারত থেকে ৭টি ছবি আমদানি করা হয়। তাই এগুলোসহ মোট এ বছর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬৩টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবিগুলো হচ্ছে- ১. মাস্তান পুলিশ (রকিবুল আলম রকিব), ২. কত স্বপ্ন কত আশা (ওয়াকিল আহমেদ ), ৩. তুখোড় (মিজানুর রহমান লাবু), ৪. যে গল্পে ভালোবাসা নেই (রয়েল খান), ৫. ভালোবাসা এমনই হয় (তানিয়া আহমেদ), ৬. মায়াবীনি (আকাশ আচার্য), ৭. মেয়েটি এখন কোথায় যাবে (নাদের চৌধুরী), ৮. প্রেমী ও প্রেমী (জাকির হোসেন রাজু), ৯. ভুবন মাঝি (ফখরুল আরেফিন), ১০. শেষ চুম্বন (মুনতাহিদুল লিটন), ১১. সত্যিকারের মানুষ (বদরুল আমিন), ১২. মিসডকল (সাফিউদ্দিন সাফি), ১৩. ভালোবাসা ষোলোআনা (মনির হোসেন মিঠু), ১৪. তোমাকে চাই (পরিচালক-রাজীব কুমার, আমদানি ছবি), ১৫. ক্রাইম রোড (সায়মন তারিক), ১৬. শূন্য (বন্ধন বিশ্বাস), ১৭. নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার (মিজানুর রহমান লাবু), ১৮. সুলতানা বিবিয়ানা (হিমেল আশরাফ), ১৯. হঠাৎ দেখা (রেশমি মিত্র, ইমপ্রেস), ২০. সত্তা (হাসিবুর রেজা কল্লোল), ২১. হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা (আমদানী- পরিচালক পথিকৃৎ বসু), ২২. ধেৎতেরিকি (শামীম আহমেদ রনী), ২৩. তুই আমার (সজল আহমেদ), ২৪. আপন মানুষ (শাহ আলম মন্ডল), ২৫. ওয়ান (আমদানি, পরিচালক- বিরসা দাসগুপ্ত), ২৬. পরবাসিনী (স্বপন আহমেদ), ২৭. মিলন সেতু (মিজানুর রহমান), ২৮. তুমি রবে নীরবে (মাহবুবা ইসলাম সুমী), ২৯. রাজনীতি (বুলবুল বিশ্বাস),৩০. ড্রেসিং টেবিল (আবু সাইয়ীদ) ৩১. গ্রাস (মারিয়া তুষার), ৩২. নবাব (জয়দ্বীপ মুখার্জি), ৩৩. বস টু (বাবা যাদব), ৩৪. মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা (জসিম উদ্দিন জাকির), ৩৫. ভয়ংকর সুন্দর (অনিমেষ আইচ), ৩৬. মার ছক্কা (মঈন বিশ্বাস), ৩৭. রাইয়ান (মাশরুর পারভেজ ওরফে ইউল রাইয়ান), ৩৮. এক পলকের দেখা (এ আর রহমান), ৩৯. রংবাজ (আবদুল মান্নান), ৪০. অহংকার (শাহাদৎ হোসেন লিটন), ৪১. সোনাবন্ধু (জাহাঙ্গীর আলম সুমন), ৪২. ডুব (মোস্তফা সরয়ার ফারুকী),৪৩. পোস্ত (নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জি-আমদানি), ৪৪. খাচা (আকরাম খান), ৪৫. ষোলোআনা প্রেম (আলী আজাদ), ৪৬. টু বি কন্টিনিউড (ইফতেখার আহমেদ ফাহমি), ৪৭. ঢাকা অ্যাটাক (দীপংকর দীপন), ৪৮. দুলাভাই জিন্দাবাদ (মনতাজুর রহমান আকবর), ৪৯. কপালের লিখন (জুয়েল ফারসি), ৫০. গেইম রিটানর্স (রয়েল খান), ৫১. খাসজমিন (সরোয়ার হোসেন), ৫২. বলো দু্‌গ্গা মাঈকি (রাজ চক্রবর্তী, আমদানি), ৫৩. ইয়েতি অভিযান (সৃজিত মুখার্জি, আমদানি), ৫৪. ছিটকিনি (সাজেদুল আওয়াল), ৫৫. হালদা (তৌকির আহমেদ), ৫৬.আসবো না ফিরে (আবু সাঈদ খান), ৫৭. চল পালাই (দেবাশীষ বিশ্বাস) , ৫৮. ককপিট (কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, আমদানি), ৫৯. অন্তর জ্বালা (মালেক আফসারী), ৬০. পুত্র (সাইফুল ইসলাম মান্নু) ৬১. ইনোসেন্ট লাভ(অপূর্ব রানা), ৬২. আঁখি ও তার বন্ধুরা (মোরশেদুল ইসলাম) এবং ৬৩. গহীন বালুচর (বদরুল আনাম সৌদ)।
নতুন পরিচালক
এ বছর নতুন পরিচালকের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। এদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েল ফারসি, আকাশ আচার্য্য, বদরুল আনাম সৌদ, মিজানুর রহমান লাবু, দীপংকর দীপন, সাজেদুল আওয়াল, সরোয়ার হোসেন, ইফতেখার আহমেদ ফাহমি, জাহাঙ্গীর আলম সুমন, জসিম উদ্দিন জাকির, মারিয়া তুষার, মাহবুবা ইসলাম সুমী, সজল আহমেদ, হিমেল আশরাফ, বন্ধন বিশ্বাস, তানিয়া আহমেদ, মুনতাহিদুল লিটন, বদরুল আমিন, ফখরুল আরেফিন ।
চলচ্চিত্রে অভিষেক যাদের
শিবলী নওমান (তুখোড়), হিরো আলম (মার ছক্কা), সানজানা (কপালের লিখন), ডিএ তায়েব (সোনাবন্ধু), ভাবনা (ভয়ংকর সুন্দর), ক্যামেলিয়া (নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার), প্রেমা (মিলন সেতু), সালমান জাফরী (এক পলকের দেখা), রুনা খান (ছিটকিনি, হালদা ও গহীন বালুচর), প্রীতম (গ্রাস), লাবন্য লী (গেইম রিটানর্স), মুন, তানভীর ও নীলাঞ্জনা নীলা (গহীন বালুচর), সাগর (শেষ চুম্বন), শিশুশিল্পী জাহিন নাওয়ার হক ইশা (আঁখি ও তার বন্ধুরা)।
ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ছবি
ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় এ বছর সাতটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এগুলো হচ্ছে রেশমি মিত্রের ‘হঠাৎ দেখা’, মাহবুব ইসলাম সুমীর ‘তুমি রবে নীরবে’, আবু সাইয়ীদের ‘ড্রেসিং টেবিল’, মারিয়া তুষারের ‘গ্রাস’, আকরাম খানের ‘খাঁচা’, ইফতেখার উদ্দিন ফাহমীর ‘টু বি কন্টিনিউড’ এবং মোরশেদুল ইসলামের ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’।
জাজ মাল্টিমিডিয়ার ছবি
দেশীয় ছবি প্রযোজনার পাশাপাশি ভারত থেকে দুটি ছবি এবার আমদানি করেছে দেশীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। এ বছর তাদের প্রযোজনায় বাংলাদেশে পাঁচটি ছবি মুক্তি পেয়েছে, যার মধ্যে তিনটি ছিল যৌথ প্রযোজনার। জাজ থেকে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো হচ্ছে জাকির হোসেন রাজুর ‘প্রেমী ও প্রেমী’, শামিম আহমেদ রনীর ‘ধেৎতেরিকি’, জয়দ্বীপ মুখার্জির ‘নবাব’, বাবা যাদবের ‘বস টু’ ও মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ডুব’। আর কলকাতা থেকে আমদানি করে আনা ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সৃজিত মুখার্জির ‘ইয়েতি অভিযান’, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ‘ককপিট’।
সর্বাধিক ছবির নায়ক-নায়িকা
এ বছর শাকিব খান অভিনীত সর্বাধিক পাঁচটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবিগুলো হচ্ছে ‘সত্তা’, ‘নবাব’, ‘রাজনীতি’ ‘অহংকার’ ও ‘রংবাজ’। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ছবি ব্যবসাসফলতা পায়। এরপরই নাম চলে আসে সাইমন সাদিকের। তার অভিনীত ‘কত স্বপ্ন কত আশা’, ‘মায়াবীনি’, ‘ষোলআনা প্রেম’, ‘তুই আমার’ ও ‘খাসজমিন’ নামে পাঁচটি ছবি মুক্তি পায়। এরপর বাপ্পি অভিনীত ‘মিসডকল’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’, ‘আপন মানুষ’ ও ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ নামে চারটি ছবি মুক্তি পায়। আরিফিন শুভ অভিনীত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিটি বেশ সফলতা পায় এ বছর। এই হিরোর এ বছর অন্য দুটি ছবি হচ্ছে ‘ধেৎতেরিকি’ ও ‘প্রেমী ও প্রেমী’। ইমনের ‘পরবাসিনী’ ও নিরবের ‘গেইম রিটানর্স’ ছবি দুটি মুক্তি পায় এ বছর। এদিকে আনিসুর রহমান মিলনের ‘ক্রাইম রোড’ ও ‘রাজনীতি’ ছবি দুটি মুক্তি পায়। শাহরিয়াজের ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’, ‘ক্রাইম রোড’ ও ‘চল পালাই’ নামে তিনটি ছবি মুক্তি পায়। আর কাজী মারুফের ‘মাস্তান পুলিশ’, নিরবের ‘ গেইম রিটানর্স’ ও শিপন মিত্রের ‘চল পালাই’ নামে একটি করে ছবি মুক্তি পায়। মৌসুমী অভিনীত এ বছর ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’, জয়া আহসান অভিনীত ‘খাঁচা’ ও ‘পুত্র’ নামে দুটি ছবি ও পূর্ণিমা অভিনীত ‘টু বি কন্টিনিউড’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। নুসরাত ইমরোজ তিশার ‘ডুব’ ও ‘হালদা’ নামে দুটি ছবি মুক্তি পায়। তমা মির্জা অভিনীত ‘অহংকার’, ‘গ্রাস’, ‘গেইম রিটানর্স’ ও ‘চল পালাই’ নামে চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। চিত্রনায়িকা পরীমনি অভিনীত ‘কত স্বপ্ন কত আশা’, ‘আপন মানুষ’, সোনাবন্ধু’, ‘অন্তর জ্বালা’ ও ‘ইনোসেন্ট লাভ’ নামে চারটি ছবি মুক্তি পায়। বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ‘ভালোবাসা এমনই হয়’, ‘ইয়েতি অভিযান’ ও ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ নামে তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। শবনম বুবলী অভিনীত ‘অহংকার’, ‘রংবাজ’ নামে দুটি ছবি মুক্তি পায়। আঁচল অভিনীত ‘সুলতানা বিবিয়ানা’, মাহিয়া মাহির ‘ঢাকা অ্যাটাক’, আইরিনের ‘মায়াবীনি’, মিষ্টি জান্নাতের ‘তুই আমার’, জলির ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’, অর্পণার ‘ভুবন মাঝি’ ও বিপাশা কবিরের ‘খাসজমিন’ নামে একটি করে ছবি মুক্তি পায়।
ব্যবসাসফল ও আলোচিত সেরা দশ ছবি
১. ‘ঢাকা অ্যাটাক’, ২. ‘নবাব’, ৩. ‘রাজনীতি’ ৪. ‘বস টু‘, ৫. ‘হালদা’ ৬. ‘সত্তা’ ৭. ‘ডুব’ ৮. ‘রংবাজ’ ৯. দুলাভাই জিন্দাবাদ ও ১০. অন্তর জ্বালা।
ব্যবসায়িক সফলতায় রেকর্ড
গত বছর ‘শিকারি’ ছবিটি সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা আয় করে। এ বছর সবকিছু টপকিয়ে আরিফিন শুভ ও মাহি অভিনীত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৫০ লাখ আয় করে। আর শাকিব-শুভশ্রী অভিনীত ‘নবাব’ ৯ কোটি টাকা আয় করে।
আলোচিত ঘটনা
চলতি বছর এপ্রিলের শুরুতে ঢাকার কাওরানবাজারে অবস্থিত পূর্ণিমা নামের পুরানো সিনেমা হলটি বন্ধ হয়ে যায়। চলতি বছর পরিচালক সমিতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন গুণী নির্মাতা কাজী হায়াত। গত ৩রা আগস্ট বিএফডিসির পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে কাজী হায়াতের সদস্যপদ প্রত্যাহারের আবেদনপত্র জমা দেন। পরিচালক গাজী মাহবুবের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় এ বছর, শামিম আহমেদ রনির স্থগিত করলেও বছর শেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। ‘রাজনীতি’ চলচ্চিত্রে মুঠোফোন নাম্বার ব্যবহার করে হয়রানী ও প্রতারণার অভিযোগে নায়ক শাকিব খান, পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস ও প্রযোজক আশফাক আহমেদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে অর্ধকোটি টাকার মানহানীর মামলা করেছেন সিএনজি চালক ইজাজুল মিয়া। পরে অবশ্য এটা শিথীল হয়ে যায়।
বছর জুড়ে আলোচনা-সমালোচনায় শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস
২০১৭ সালের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বছরজুড়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় ছিলেন চিত্রনায়ক শাকিব খান ও নায়িকা অপু বিশ্বাস। ঘটনার শুরু ১০ই এপ্রিল ২০১৭। আট মাস নিরুদ্দেশ থাকার পর হুট করেই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের পর্দায় ছেলে আব্রাম খান জয়সহ হাজির হন অপু বিশ্বাস। ফাঁস কওে দেন শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ের খবর। এদিকে চলতি বছরের ১৭ই নভেম্বর থাইল্যান্ড থেকে ‘মাস্ক’ ছবির শুটিং থেকে ফিওে ছেলে আব্রাম খান জয়কে দেখতে নিকেতনে অপুর বাসায় যান শাকিব খান। সেখানে মা অপু বিশ্বাসের বাসায় সন্তান তালাবদ্ধ আছে বলে তিনি গুলশান থানায় অভিযোগ করেন এবং তাকে উদ্ধারের জন্য সহায়তা চান। যদিও অপু দাবি করেছেন তিনি সন্তানকে তালাবদ্ধ কিংবা কাজের মেয়ের কাছে রেখে যাননি। বরং বোনের তত্ত্বাবধানেই রেখে গেছেন বলে জানিয়েছেন। ২৮শে নভেম্বর অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠান শাকিব খান। গত ৪ঠা ডিসেম্বও সেটি হাতে পান অপু বিশ্বাস। আইনজীবী সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে অপুর কাছে ডিভোর্স নোটিস পাঠান শাকিব। এছাড়া গত ৫ই মে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার রাতে অভিযোগ পেয়ে ভোট গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন শাকিব। এ সময় এফডিসির কিছু কর্মী দ্বারা শাকিব খান লাঞ্ছিত হন। মিশা সওদাগরের সহায়তায় দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেও এর দু’দিন পর অর্থাৎ ৮ই মে রমনা থানায় জিডি করেন। এ বছর বয়কটের শিকারও হন শাকিব খান। প্রথমত একটি জাতীয় দৈনিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পরিচালকদের ‘বেকার’ বলার অপরাধে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেয় চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের ব্যানারে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৩টি সংগঠন। গত ২৯শে এপ্রিল নেয়া বয়কটের সিদ্ধান্ত নায়ক আলমগীর ও সোহেল রানার মধ্যস্থতায় ১লা মে তুলে নেয়া হয়। শাকিব খান ‘যৌথ প্রযোজনা’র সমর্থনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মলেনে কিছু লোককে উদ্দেশ্য করে ‘স্টুপিড’ বলেন। কেউ কেউ বলেছেন এ শব্দটি তিনি চিত্রনায়ক ফারুককে উদ্দেশ্য করে বলেছেন। যদিও শাকিব তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলেননি বলে বারবার দাবি করেছেন। কিন্তু ‘চলচ্চিত্র পরিবার’ শাকিব খানকে গত ২৩শে জুন এবং পরে ১৮ই জুলাই বয়কট করে। একই সঙ্গে শিল্পী সমিতি তার সঙ্গে কাজ করতে শিল্পীদের নিষেধ করে। যদিও পরে চলচ্চিত্র পরিবার শাকিবের সঙ্গে বসে মৌখিকভাবে তার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তবে শাকিব খান প্রাপ্তির মধ্যে এ বছরই তৃতীয়বারের মতো ‘আরো ভালোবাসব তোমায়’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান । বছরের শেষদিকে জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিঙ্গাপুর উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। প্রায় তিনমাস চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেন।
জন্ম
অভিনেতা নিরব কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন প্রথমবার (২৪শে মে), দ্বিতীয় সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন ঢালিউডের আলোচিত নায়ক-নায়িকা দম্পতি অনন্ত ও বর্ষা (২৩শে অক্টোবর)।
যাদের হারিয়েছি
আকবর কবীর পিন্টু (১৫ই ফেব্রুয়ারি), মিজু আহমেদ (২৭শে মার্চ), ইবনে মিজান (২৮শে মার্চ), পি এ কাজল (২৫শে মে), রাতিন (১৮ই জুলাই), নায়করাজ রাজ্জাক (২১শে আগস্ট) ও পরিচালক আজাদ খান (২০শে ডিসেম্বর)।


প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন

sponser